চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কমিটির ১৮তম অনলাইন সভায় এই আহ্বান জানানোর কথা পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লার সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে জাতীয় কারিগরি পরামশর্ক কমিটি মনে করে।
সেখানে বলা হয়, ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) দেশের স্বাস্থ্যকর্মীদের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে মতামত দেওয়া হয়েছে। আজকের সভাতেও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতে পুনরায় আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্যকর্মীদের কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা ও ডিউটি রোস্টার যেন স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরকে পরামর্শ দেওয়া হয়।
কোভিড-১৯ শনাক্তে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু করার বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে খুব শিগগিরই একটি সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করছে জানিয়ে কমিটি বলেছে, ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে কী কী অ্যান্টিজেন পাওয়া যায় এবং কোন কোন কোম্পানির কাছে তা পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে সভায় পর্যালোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে যেসব জেলায় কোভিড-১৯ পিসিআর টেস্টের সুবিধা নেই এবং গত দুসপ্তাহে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার বেশি সেসব জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করা যায় বলে সভা মনে করে। এছাড়াও যেখানে চিকিৎসা বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন সেসব হাসপাতালে অ্যান্টিজেন টেস্ট করা যেতে পারে বলে জানিয়ে সভায় এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়।








