ভ্যাকসিন পাওয়ার পর সারা দেশে বিতরণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ইপিআই (সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি)। তবে যেহেতু প্রথমেই হয়তো দেশের সম্পূর্ণ জনসংখ্যার জন্য ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে, তাই উচ্চ ‘ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী’ বাছাই করে পর্যায়ক্রমে ভ্যাকসিন প্রদান করা যেতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কমিটির ১৮তম অনলাইন সভায় এই আহ্বান জানানো হয়। সন্ধ্যায় পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লার সভাপতিত্বে সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে পরামর্শক কমিটির মতামত জানতে চান। তিনি উল্লেখ করেন, কমিটির পরামর্শ তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করবেন এবং এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে জাতীয় কারিগরি পরামশর্ক কমিটি সিদ্ধান্ত দেয়—এখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা ও পরীক্ষা নেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। আর তাই কমিটি এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার বিষয়ে মতামত দেয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি পর্যালোচনার ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে বলেও মত দেয় কমিটি।
কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন বিষয়ে কমিটি জানায়, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতর উভয় পক্ষ থেকেই পদক্ষেপ জোরদার করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রকল্পে ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখার নির্দেশনা রয়েছে, যেন বাজারে ভ্যাকসিন আসা মাত্রই তা ক্রয় করা যায়। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পাওয়ার পর তা সারা দেশে বিতরণের পরিকল্পনা নিয়ে ইপিআই কাজ করছে। তাই ভ্যাকসিন সরবরাহ ও বিতরণের বিষয়ে গাইডলাইন প্রস্তুতের প্রস্তাব করা হয় সভায়।








