নারায়ণগঞ্জে মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের দাফন কাফনের দায়িত্ব নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধদের দেখতে এসে জেলা প্রশাসক এই ঘোষণা দেন।
জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এই ঘটনায় ইতোমধ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিহতদের দাফন কাফনের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া চিকিৎসাধীন আহতদের পরিবারকে ১০ হাজার করে টাকা দেওয়া হবে। পরে আরও সহায়তা করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে অনেক দরিদ্র পরিবার রয়েছে। তাদের অনেকের ঘরে হয়তো খাবারও নেই। আমরা তাদের বাড়িতে গিয়ে চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী দিয়ে আসবো।’
ইতোমধ্যে ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই ঘটনায় কারো অবহেলা থাকলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এই ঘটনায় আমাদের জেলা প্রশাসনের একজন সহকর্মীও গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দগ্ধদের চিকিৎসা করানো হচ্ছে।’
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন








