ইতিহাস বিকৃতি বন্ধে আইন করার কথা বিবেচনা করতে পারে সরকার। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মন্তব্য নিয়ে সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এ কথা বলেন।
শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতাহের হোসেন ভবন চত্বরে বাংলাদেশ আইন সমিতির ৩০তম সম্মেলনে আইনমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস বিকৃতি ঠেকানোর ব্যবস্থা নিতে জনদাবি উঠেছে। এ সরকার জনগণের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের মানুষ, তিনি নিশ্চয়ই বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, পাকিস্তান ’৭১-এর গণহত্যার কথা অস্বীকার করে তাদের সেই বর্বরোচিত গণহত্যার চেয়েও বর্বর মিথ্যাচার করেছে। প্রতিটি পরিবার ’৭১-এর গণহত্যার চিহ্ন বহন করছে। আজ যদি বলা হয় সূর্য ওঠেনি, বিশ্বাস করা গেলেও ’৭১-এর গণহত্যা হয়নি এটা বিশ্বাস করা যায় না।’
অনুষ্ঠানে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ইতিহাস নিয়ে স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে অনেক রাজনীতি হয়েছে, অনেক বক্তৃতা চলছে। এটি বন্ধ হওয়া আবশ্যক।
বাংলাদেশ আইন সমিতির সভাপতি একেএম আফজাল উল আলম মুনীরের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, আইন সমিতির সম্মেলন ২০১৬ এর আহ্বায়ক, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওছারসহ আইন সমিতির সাবেক নেতারা।
সম্মেলনে আইন সমিতির নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে সভাপতি হয়েছেন কে এম আব্দুল মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ।
/জেএ/এফএস /এএইচ/








