
ইসলাম ধর্মের ধ্বংস করতে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটানো হয়েছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম, যারা ইসলামের আদর্শচ্যুত তারাই জঙ্গিবাদ ছড়াচ্ছে। মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থেকে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। শুক্রবার দুপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুসে শোভাযাত্রা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে বক্তরা এসব কথা বলেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধু ইসলামের জন্য কাজ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাঁটি মুসলমান। নামাজ পড়ে কোরান তেলাওয়াত করে তিনি দিনের কাজ শুরু করেন। সরকার সব সময় গরীব-দুখিদের জন্য কাজ করছেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ইসলাম ধর্মের ধ্বংস করতে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটানো হয়েছে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহকে সতর্ক থাকতে হবে। মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধ থেকে জঙ্গিবাদকে রুখতে হবে।
সমাবেশে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভাণ্ডারির সভাপতি শাহসূফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানি ওয়ালা হোসাইনি মাইজভাণ্ডারি বলেন, যারা ইসলাম ধর্মের বার্তা অনুসরণ করে তাদের দ্বারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হতে পারে না। নবীপ্রেমী মুসলিম জনতাকে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
সমাবেশে ঘানা থেকে আগত আন্তর্জাতিক সুফিবাদের চেয়ারম্যান ড. শায়েখ আহমেদ তিজানি বিন ওমর বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানদের এ আয়োজন অনন্য। মুসলামদের সতর্ক থেকে জঙ্গিবাদের মোকাবেলা করতে হবে।
সমাবেশের আগে শুক্রবার সকালে ড. শায়েখ আহমেদ তিজানি বিন ওমরের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। জশনে জুলুসে শোভাযাত্রাটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে পল্টন-বিজয়নগর, কাকরাইল, মৎস্যভবন মোড় হয়ে আবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে উপস্থিত হলে হেলিকপ্টার দিয়ে ওপর থেকে ফুলের পাপড়ি ছড়ানো হয়। পাশাপাশি নিচ থেকে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে আনন্দ উল্লাস করেন ভক্তরা।
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন
/সিএ/এফএ/








