পিতৃহীন দুই শিশুর অধিকার ফিরিয়ে দিতে মধ্যরাতে হাইকোর্টের আদেশ ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম মনে করেন, এ ঘটনাটি আমাদের বিচার ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াবে এবং সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার প্রবণতা থেকে মানুষ সরে আসবে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়, পৈত্রিক নিবাসে ঢুকতে না দেওয়ার ঘটনায় সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল কেএস নবীর দুই নাতিকে বাড়িতে ফিরিয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শনিবার (৩ অক্টোবর) প্রায় মধ্যরাতে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বেসরকারি টিভি চ্যানেল একাত্তর টেলিভিশনের ‘একাত্তর জার্নাল’ অনুষ্ঠানে পৈতৃক বাড়িতে প্রবেশের জন্য দুই শিশুর আকুল আবেদন এবং উপস্থাপক ও আলোচকদের বক্তব্য সচেতন সব মানুষের মানবিকতাকে জাগিয়ে তোলে। আলোচনা চলাকালেই এই দুই শিশুকে রাতের মধ্যে তাদের পিত্রালয়ে নিরাপত্তার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক স্বতঃপ্রণোদিত এ আদেশ দেন বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ। রাতেই আদেশ কার্যকর করা হয়।
মানবাধিকার সুরক্ষায় হাইকোর্টের মধ্যরাতের এই তাৎক্ষণিক আদেশ ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করে কমিশন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একাত্তর টিভিকে বিষয়টি তুলে ধরার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানায়।
কমিশন মনে করে, পুলিশকে সব সময় জনবান্ধব ও মানবিক আচরণ করতে হবে এবং সব ভুক্তভোগী মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।








