ধর্ষণে সহযোগিতায় অভিযুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুনসহ অন্যদের গ্রেফতারের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছে অভিযোগকারী সেই ছাত্রী। ওই ছাত্রীর সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নারী নেতাকর্মী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ ‘নিপীড়ন বিরোধী অবস্থান কর্মসূচির’ ব্যানারে অনশন কর্মসূচি পালন শুরু করে ওই ছাত্রী।
অভিযোগকারী বলেন, ‘ধর্ষকরা জাতির শত্রু। তাদের কোনও ক্ষমা নেই। হাসান আল মামুন ও নুরুল হক নুরদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আমার অনশন অব্যাহত থাকবে। সিলেট এমসি কলেজসহ অন্যান্য ধর্ষণ মামলার আসামিরা দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার হলেও প্রভাবশালী হওয়ায় নুররা গ্রেফতার হচ্ছে না। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রয়েছে, তারপরও কোনও অদৃশ্য শক্তির জন্য তারা গ্রেফতার হচ্ছে না, তা আমার বোধগম্য নয়।’
অভিযোগকারী ছাত্রীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অবস্থানে থাকার ঘোষণার দিয়েছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক তিলোত্তমা সিকদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি, ঢাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফারজানা নিপা, ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জেরিন তাসনীম পুর্ণিসহ ১৫ জনের অধিক ছাত্রী।
জানতে চাইলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক সদস্য তিলোত্তমা সিকদার বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার মেয়েটি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার পাশে আমাদের দাঁড়ানো উচিত। নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে তার পাশে থেকে তাকে সহযোগিতা করে আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবো।’
ওই ছাত্রী গত ২০ সেপ্টেম্বর লালবাগ থানায় মামলাটি করেন। এরপর গত ২১ সেপ্টেম্বর বাদী কোতয়ালী থানায় একই অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন হাসান আল মামুন, নাজমুল হাসান, নুরুল হক নুর, মো. সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা ও আবদুল্লাহ হিল বাকি। এরমধ্যে মূল অভিযুক্ত হাসান আল মামুন, আর নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।








