প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের লিখিত পরীক্ষা মওকুফ করে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই করে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করছে বাংলাদেশ সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদ। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ অনশনে বসেছে তারা। মঙ্গলবারের (১৩ অক্টোবর) অনশনে প্রায় শতাধিক প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ শিক্ষানবিশ আইনজীবী আছেন।
অনশন থেকে বলা হয়, বিগত চার বছর ধরে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির পরীক্ষা না হওয়ায় আমরা চরম হতাশাগ্রস্ত এবং মানবেতর জীবন-যাপন করছি। প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৩০-৩৫ জন নানা কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়াও বর্তমানে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষানবিশ আইনজীবী করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আরও বলা হয়, করোনা মহামানির এই সংকটে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা যারা ৯০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ হাজার ৮৭৮ জন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি, তাদের পরিস্থিতি বিবেচনা করে লিখিত পরীক্ষা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ভাইভা পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই করে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির সবিনয় আবেদন করছি।
অতিসম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল/কলেজের পরীক্ষার ক্ষেত্রে অটোপ্রমোশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে আমাদের দাবিটি যে যৌক্তিক সেটি প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের যৌক্তিক দাবির পক্ষে ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। আমরা আইনমন্ত্রীকেও বিষয়টি অবহিত করেছি। তিনি আশ্বাসও দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা এর আগে ৯ জুন দেশের প্রত্যেক জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। ৩০ জুন দেশের সব প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন। এরপর সুপ্রিম কোর্টের সামনে, বার কাউন্সিলের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনেও অনশন করেন।








