রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইলিয়াস মিয়া বাংলা ট্রিবিউন কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কারাগার থেকে আসামি মজনুকে আদালতে হাজির না করায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালত ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। এ পর্যন্ত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।’
এর আগে গত ২৬ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু ট্রাইবুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহারের আদালত অভিযোগ গঠন করেন। গত ১৬ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু ট্রাইবুনাল-৭ এর বিচারক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
চলতি বছরের ১৬ মার্চ ঢাকা মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক আবু সিদ্দিক মজনুকে একমাত্র আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার অভিযোগপত্রে ১৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
গত ৯ জানুয়ারি ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার আসামি মজনুর সাত দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। রিমান্ড শেষে গত ১৬ জানুয়ারি আদালতে ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। জবানবন্দি শেষে বিচারক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে ধর্ষক মজনু কারাগারে রয়েছেন।
গত ৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ছাত্রীর বাবা জাকির হোসেন ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। কুর্মিটোলা বাসস্টেশনে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে থাকে। মাঝপথে তাকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।








