সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার ( ৯ নভেম্বর ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, এদিন মামলাটি অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবী অসুস্থ থাকায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। এরপর বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন— নিহতের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন,শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান এবং ভাড়াটে মারুফ রেজা।
এর আগে ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিরা শিক্ষিত এবং হোয়াইট কালারের অপরাধী হওয়ায় তারা জামিন পেলে বাংলাদেশ ত্যাগ করে চির পলাতক হওয়ার যথেষ্ট সম্ভবনা রয়েছে। সেজন্য আসামিদের বিচার সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান তিনি।
তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করেন, সগিরা মোর্শেদের পরিবারের সঙ্গে আসামি শাহীনের বিভেদ তৈরি হয়েছিল। এছাড়া শাশুড়ি সগিরাকে অনেক পছন্দ করতেন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সগিরার সঙ্গে শাহীনেরও দ্বন্দ্ব ছিল। সম্বোধন করা নিয়েও পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। সগিরার কাজের মেয়েকে মারধর করে আসামি ডা. হাসান আলী চৌধুরী। এ নিয়ে পারিবারিক বৈঠকে সগিরাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন শাহীন। আসামিরা নিজেদের বাসায় বসে সগিরাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডা. হাসান আলী তার চেম্বারে অপর আসামি মারুফ রেজার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হত্যার চুক্তি করেন। ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই মারুফ রেজা ও আনাস মাহমুদ সগিরাকে গুলি করে হত্যা করেন। ওই ঘটনায় সগিরার স্বামী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।








