ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৯ নভেম্বর) বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে কোতয়ালি থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান আসামি সোহাগকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। একই সঙ্গে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কনক বড়ুয়া শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী কোতয়ালি থানায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে প্রধান আসামি করে ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয় জনকে আসামি করা হয়। মামলার অপর আসামিরা হলেন– বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), একই সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি নাজমুল হুদা (২৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহিল বাকি (২৩)।
এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর এই মামলার বাদী লালবাগ থানায় একই অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।








