অনলাইন মাধ্যমে কন্যা শিশুদের হয়রানি বন্ধ এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্যে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম।
রবিবার (৬ ডিসেম্বর) আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত ‘অনলাইনে কন্যা শিশু নিপীড়ন ও নির্যাতন: আইন, বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাছিমা বেগম বলেন, ইন্টারনেটের যেমন অনেক সুফল রয়েছে, তেমনি এর কুফলও রয়েছে। শিশুদেরকে এই কুফল থেকে রক্ষা করতে বাবা-মাকে সচেতন থাকতে হবে। শিশুদেরকে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। শিশুরা ইন্টারনেটে কী ব্যবহার করছে সে সম্পর্কেও বাবা মাকে সচেতন থাকতে হবে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম আরও বলেন, অনলাইনে কন্যাশিশুদের হয়রানি বন্ধে পুলিশদের নিয়েও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পালন করা উচিত। যাতে তারা খুব সহজেই অনলাইন অপরাধ শনাক্ত ও অনুসন্ধান করতে পারে। এছাড়া এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্যে প্রতিটি জেলা পর্যায়ে এবং গণমাধ্যমে সচেতনতা কর্মসূচি পালন করা প্রয়োজন বলেও মতামত ব্যক্ত করেন তিনি।
সংলাপের বিশেষ অতিথি এবং শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতি সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত বলেন, অনলাইনে কন্যা শিশুর সুরক্ষায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ বিভাগ এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রসহ (আসক) সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগে জাতীয়ভাবে কর্মসূচি হাতে নেওয়া উচিত।
সংলাপে আরও অংশ নেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য জেসমিন আরা বেগম, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ পুলিশ কমিশনার নাজমুল হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহফুজুল হক সুপন, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় আইন কমিমনের প্রতিনিধি যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ফারজানা হোসেন, ইউএনডিপির জেন্ডার বিশেষজ্ঞ বিথিকা হাসান, জাতীয় শিক্ষা নীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য কাজী ফারুক আহমেদ এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাইমুম রেজা তালুকদার।
সংলাপটি সঞ্চালনা করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) নির্বাহী পরিচালক গোলাম মনোয়ার কামাল।








