রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী জিসান হাবিব (১৭) হত্যা মামলার ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে উত্তরা পূর্ব থানায় পুলিশ।
জিসানের বাড়ি নোয়াখালীতে। সে এবার নোয়াখালীর একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করে। গত বুধবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে তার মৃত্যু ঘটে।
বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ জানান,জিসান হত্যা মামলার ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, জিসান গত ২৮ নভেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ের ইসলামপুরে তার মামার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। বুধবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে সে তার এক আত্মীয়কে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে আসে।
বিমানবন্দর থেকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে জিসান তার আপর এক আত্মীয়ের সঙ্গে বাসে ধামরাই ফিরছিল। বাসটি উত্তরার আবদুল্লাপুরে পৌঁছালে এক ছিনতাইকারী জানালা দিয়ে জিসানের মুঠোফোন নিয়ে নেয়। এ সময় সে ও তার সঙ্গে থাকা আত্মীয় বাস থেকে নেমে ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে জাপটে ধরে ফেলে। একপর্যায়ে ছিনতাইকারী জিসানকে ছুরিকাঘাত করে মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা জানান, ছুরিকাঘাতের পর জিসানকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা যায়, জিসান হাবিব নোয়াখালী সোনাইমুড়ি উপজেলার বিহেরগাঁও গ্রামের সৌদি প্রবাসী আবুল বাশারের ছেলে। স্থানীয় খলিলুর রহমান ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে জিসান ছিল তৃতীয়।








