জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্ত পূরণ করা মানসম্পন্ন বেসরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোকে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) দাবি জানানো হয়েছে। রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির পক্ষে এই দাবি জানানো হয়।
বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৫ দফা দাবিতে বলা হয়, কর্মরত সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করতে হবে। কর্মরত শিক্ষকদের দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে। প্রতিটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠাসহ তথ্যপ্রযুক্তির সকল সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নামে নিষ্কণ্টক একখণ্ড জমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দিতে হবে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ধানমন্ডির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কলেজের অধ্যক্ষ ড. নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই মানসম্পন্ন টিটি কলেজগুলোর এমপিও চেয়ে আসছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে লিখিতভাবে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। করোনার এই সময়েও এই দাবিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমরা সাক্ষাৎ করে আমাদের দাবি তুলে ধরেছি। ‘
অধ্যক্ষ ড. নজরুল ইসলাম খান জানান, এমপিওভুক্ত করা হলে মোট ৮০টি কলেজের বিপরীতে যেসব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন তাদের প্রতি মাসে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের ব্যয় হবে আনুমানিক ৪ কোটি টাকা। যদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্ত পূরণ করা মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করা হলে বেতন-ভাতা বাবদ মাসে প্রয়োজন হবে মাত্র ২ কোটি টাকা। এই সামান্য টাকা ব্যয় করলে মানসম্পন্ন শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।








