উন্নত দেশে তাত্ত্বিক লেখাপড়ার চেয়ে ব্যবহারিক তথা বাস্তবিক লেখাপড়ায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ কারণেই ওই সব দেশ উন্নত হতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন বিসিকের চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করা হলেও ব্যবহারিক জ্ঞান তেমন প্রদান করা হয় না। এর ফলে চাকরির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আর্থিক কাজগুলো নিয়মনীতি অনুযায়ী না করা হলে অডিটে বেশি আপত্তি হয়।’
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) বিসিকের প্রশিক্ষণ শাখা আয়োজিত দুই দিনব্যাপী অডিট-বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বিসিকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিসিকের ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতাধীন শিল্প সহায়ক কেন্দ্র ও শিল্পনগরী গুলোর হিসাব ও অর্থসংশ্লিষ্ট মোট ৩৮ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।
অডিট বিষয়ক প্রশিক্ষণে যাতে নিয়মনীতিগুলো জেনে অডিট আপত্তি দূর করা যায়, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন বিসিকের চেয়ারম্যান। তিনি হিসাব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোনও চাপের মুখে যেন নতি স্বীকার না করেন, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। বিসিকের রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য সব কাজকর্মের গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য জোর তৎপরতার চালানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিসিকের যে সব অডিট আপত্তি ইতোমধ্যে হয়েছে, সেগুলোর উদাহরণ দিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন বিসিক চেয়ারম্যান। এরপর তিনি অডিট বিষয়ক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন।








