বিশৃঙ্খলার অভিযোগে পাঁচটি কেন্দ্রে গত ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বার কাউন্সিলের সচিব রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বরের বাতিলকৃত এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার ৫টি কেন্দ্রের (মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, বিসিএসআইআর উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারী মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এবং ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ) পরীক্ষার্থীদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত চার ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীগণ তাদের স্ব স্ব অ্যাডমিট কার্ড দিয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এই পরীক্ষার জন্য নতুন কোনও অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু করা হবে না এবং কোনও ফি জমা দিতে হবেনা। পরীক্ষার কেন্দ্র ও আসন বিন্যাস পরবর্তীতে যথাসময়ে বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।’
এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর বার কাউন্সিলের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, গত ১৯ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইনজীবী তালিকাভুক্তিকরণে পরীক্ষা নেয় বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, বিসিএসআইআর উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ও মহানগর মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলা হয়। এসব কেন্দ্রের পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছিল, ওইসব পরীক্ষা কেন্দ্রে যারা বিশৃঙ্খলা, ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করেছে সর্বোপরি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক, ইউটিউব) ব্যবহার করে পরীক্ষা বানচালে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেছে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ বার কাউন্সিলের পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ ডিসেম্বর বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ, বিসিএসআইআর হাইস্কুল, গভর্নমেন্ট মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে কেন্দ্রগুলোতে ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত পরীক্ষায় ১২ হাজার ৮ ৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এদের মধ্যে পরীক্ষার প্রশ্ন কঠিন এবং করোনার মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় অনেকে শিক্ষার্থী বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়েন। পরে ওই ঘটনায় রাজধানীর কয়েকটি থানায় মামলা দায়ের এবং অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।









