ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে পুকুরে ধসে পড়া সেই তিনতলা ভবনটি কয়েকটি দুর্বল পিলারের ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল। ভবনটি পড়ে যাওয়ার সময় পাশের আরও দুটি ভবনেও ফাটল দেখা দিয়েছে। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইউএনও অমিত দেবনাথ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সামান্য কয়েকটা দুর্বল পিলারের ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এর ফলে ধসে পড়েছে। ভবনটি পড়ার সময় পাশের দুটি ভবনেও ফাটল দেখা দিয়েছে। আমরা তাৎক্ষণিক ওই দুটি ভবন থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিয়েছি। পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে সেখানকার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।’
শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মধ্য চড়াইল এলাকায় ওই ভবনটি পুকুরে পুরোপুরি ধসে পড়ে। এ সময় ভবনে আটকা পড়া ৫ বাসিন্দাকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
সকালেই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন এবং ভবনে আটকেপড়া পাঁচ জনকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফারুক আহমেদ।
এর আগে সকালের দিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের অপারেটর জিয়াউর রহমান বলেন, ‘যথাযথ নিয়ম না মেনে ভবনটি পুকুর পাড়ে তৈরি করা হয়েছিল। নরম মাটি ও পিলারের ওপর থাকায় বাড়িটি পুকুরের মধ্যে হেলে পড়েছে।’
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন
আরও পড়ুন...









