দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্টরসহ বিভিন্ন বিভাগের সংবাদকর্মীদের গণছাঁটাইয়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা সংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নেতারা। সোমবার (১৫ মার্চ) বিকাল থেকে জনকণ্ঠ অফিসের সামনে সাংবাদিক নেতারা সমাবেশ শুরু করে প্রতিবাদ জানান।
প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্য্য, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খানসহ ডিইউজে ও বিএফইউজে নেতারা।
প্রতিবাদ সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা ‘গণছাঁটাই’ প্রত্যাহার করে কর্মীদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
জানা গেছে, বেতন-ভাতা ও ইনক্রিমেন্ট দাবি করায় দৈনিক জনকণ্ঠের শতাধিক সাংবাদিক-কর্মচারিকে চাকরিচ্যুত করেছে কর্তৃপক্ষ। এর প্রতিবাদে অফিসের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন চাকরিচ্যুতরা। জনকণ্ঠের সম্পাদক ও মালিকের পক্ষ থেকে কর্মীদের ইমেইলে ১৫ মার্চ একটি করে টার্মিনেশন লেটার (অব্যাহতিপত্র) পাঠানো হয়। অব্যাহতি পত্রে বলা হয়, সোমবার (১৫ মার্চ) থেকেই কার্যকর করা হবে বলে মেইলে জানানো হয়।
সোমবার (১৫ মার্চ) এই অব্যাহতিপত্র পাওয়ার পর তাদের জনকণ্ঠ ভবনের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। জনকণ্ঠ থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাংবাদিকরা জানান, ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ার পর যে কর্মীই ইমেল চেক করেছে তারাই অব্যাহতি পত্র পেয়েছে। শুধু তাই নয় ভেতরে মালিক পক্ষের ভাড়া করা লোকজন আগে থেকেই এনে রাখা হয়েছে। তাদের গেটের ভেতরে তাদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।
জনকণ্ঠের সাংবাদিক-কর্মচারীর ইউনিট চিফ ও সিনিয়র রিপোর্টার রাজন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আজই সবাইকে ইমেইলের মাধ্যমে অব্যাহতিপত্র দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আবার আজই তা কার্যকরের কথা বলা হয়েছে। জনকণ্ঠ ইউনিটের ৬০ শতাংশ সাংবাদিক কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ঘটনায় জনকণ্ঠ ভবনের গেটে পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন রয়েছে। আর চাকরিচ্যুতরা ভবনের বাইরে অপেক্ষা করছেন।









