পুলিশের বাধার মুখে বন্ধ হয়ে গেলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্রজোট আইন মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি।
আজ(১৬ই মার্চ) মঙ্গলবার সকাল সাড়ে এগারোটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে আইন মন্ত্রণালয় ঘেরাও করার উদ্দেশ্যে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা।
তারা মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন হয়ে প্রেসক্লাবের পাশে সচিবালয়ের সামনে গেলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন।
এখানে একদল পুলিশ আগে থেকেই বেরিকেড দিয়ে অবস্থান করছিল। আন্দোলনকারীরা বেরিকেড ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে আন্দোলনকারীরা ওইখানে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি মাসুদ রানা ও সঞ্চালনা করেন ছাত্র ফেডারেশনের (একাংশের) সভাপতি মিতু সরকার।
লেখক ও গবেষক মাহা মির্জা বলেন, এটি খুবই লজ্জাকর যে জন্য আমরা পঞ্চাশ বছর আগে দেশ স্বাধীন করেছি। আজ সেই স্বাধীনতার মাসে আমাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য রাস্তায় দাঁড়াতে হচ্ছে। আমাদের ছাত্রদের আন্দোলন করতে হচ্ছে। দেশে এমন একটি আইন তৈরী করা হয়েছে যে,বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে গিয়ে মাসের পর মাস একজন নিরপরাধ মানুষকে জেলে ভরে রাখা সম্ভব। একটি দেশে যদি নুন্যতম বিচার বলে কিছু থাকে তাহলে এমন পরিস্থিতি তৈরী হওয়ার কথা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক তানজিম উদ্দীন খান বলেন, ‘অপারেশন ক্লিন হার্টের অপরাধ থেকে বাঁচানোর জন্য হয়েছে ইনডেমনিটি অ্যাক্ট, বর্তমান বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদেরকে বাঁচানোর জন্য হয়েছে ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট। ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্টে নতুন কিছু মাত্রা যোগ হয়েছে। কার্টুন এঁকে জেলে গেছেন কিশোর। '
আল কাদেরী জয় বলেন,আইনমন্ত্রী বলেছেন প্রয়োজন আইন সংশোধন হতে পারে। আমরা বলতে চাই, যদি আপানারা আপানাদের অস্তিত্ব রাখতে চান চান অবিলম্বে এ আইন বাতিল করতে হবে।'
সমাবেশে অন্যাদের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি আরিফ মঈন উদ্দীন,ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমাইয়া সেতু,ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ আরো অনেকে।









