করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান কঠোর লকডাউনে প্রতিদিনই রাজধানীর সড়কগুলোতে ব্যক্তিগত ও জরুরি পরিষেবার গাড়ি এবং রিকশার চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে আজ শুক্রবার (৩০ জুলাই) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সড়কে মানুষের চলাচল কম লক্ষ্য করা গেছে। চেকপোস্টে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটির দিন, তারওপর সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হওয়ায় লোকজন খুব একটা বাইরে বের হননি।
নগরীর মালিবাগ, শান্তিনগর, মৌচাক ও রামপুরাস্থ সড়কে থাকা পুলিশের চেকপোস্ট ঘুরে দেখা গেছে, কিছু মানুষ আজও রিকশা, মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কারে করে বাইরে বের হচ্ছেন। তাদের কেউ হাসপাতালে যাচ্ছেন বা কাঁচাবাজারের উদ্দেশে বেরিয়েছেন। তবে সন্দেহ হলে চেকপোস্টে তাদের বাইরে বের হওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
শান্তিনগর চেক পোস্টের পুলিশ সার্জেন্ট মো. ইউসুফ পাটোয়ারি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আজ এমনিতেই শুক্রবার। তাই ব্যাংক, বিমাসহ অন্যান্য সব অফিসই বন্ধ। বিশেষ করে এই এলাকা থেকে মতিঝিল, দিলকুশা ও এর আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা বেশি চলাচল করে থাকে। আজ ছুটির দিন হওয়ায় তাদের উপস্থিতি কম। এদিকে পাশেই রাজারবাগ পুলিশ লাইন থাকায় পুলিশ সদস্যদের এ এলাকা দিয়ে চলাচলটা বেশি। তবে সকাল থেকে এ পর্যন্ত কাউকে আটক বা জরিমানা করা হয়নি।
রামপুরা চেকপোস্টের পুলিশ সার্জেন্ট মো. আরিফুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানালেন, অনেকেই জরুরি প্রয়োজনেই সড়কে চলাচল করছেন। বিশেষ করে মধ্যবিত্তরা বেশি অসহায় পড়েছেন। আবার অনেকেই অযৌক্তিক কারণেও বাইরে বেরোচ্ছেন, আমরা সন্দেহ হলেই জিজ্ঞাসাবাদ করছি। বাইরে বের হওয়ার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে জরিমানা করছি। সকাল থেকে এ পর্যন্ত ১০ জনকে প্রায় ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
কী কী কারণে লোকজন বাইরে বের হচ্ছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাদের জরিমানা করা হয়েছে একজন সিগন্যাল অমান্য করেছেন এবং কয়েকজনের গাড়ির কাগজ ঠিক ছিল না। আর কেউ কেউ টিকা নেওয়ার জন্য বের হচ্ছেন, কেউ আবার ছুটির দিনেও জরুরি পরিষেবার অফিস খোলা থাকায় বাইরে বেরিয়েছেন।









