আফগানিস্তানে চলমান সংঘাত গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারলে সন্ত্রাসবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে এবং আতঙ্ক তৈরি করবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সোমবার (৯ আগস্ট) আফগান সমস্যা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা শীর্ষক এক ওয়েবিনারে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. শাহীদুল হক বলেন, ‘আফগানিস্তান অনেক পুরনো সভ্যতা এবং সেখানে মূল সমস্যা হচ্ছে প্রথাগত মূল্যবোধ ও আধুনিক মূল্যবোধের মধ্যে দ্বন্দ্ব।’ আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে মধ্য এশিয়া অনেক বেশি সংঘাতপূর্ণ হতে পারে এমন আশঙ্কা করে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তালেবানদের মোটামুটি স্বীকৃতি দিয়ে দিয়েছে এবং চীনও তালেবানদের সঙ্গে বৈঠক করছে।’
সাবেক এই পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আমার বিবেচনায় প্রতিবেশী দেশগুলো যদি আফগানিস্তানের বিষয়ে নাক না গলায়, তবে ওই দেশে শান্তি ফিরে আসতে পারে। কারণ, প্রতিবেশী সবার নিজস্ব স্বার্থ আছে।’
সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ এই অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করবে।’ তিনি বলেন, ‘২০০১ সালের পর ভারত ওই দেশে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে, অন্যদিকে আফগানিস্তানের প্রতি বিশেষ নজর আছে পাকিস্তানের। উভয় দেশই চায় না অন্য দেশ আফগানিস্তানে প্রভাব বিস্তার করুক।’
ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমরা সেখানে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। সামাজিক উন্নয়ন করার চেষ্টা করছি।’ তবে তিনি বলেন, ‘সেখানে ১০০ টাকা বিনিয়োগ করলে ৬০ টাকা নিরাপত্তার পেছনে খরচ এবং সেখানে প্রকৃত উন্নয়ন করা কষ্ঠসাধ্য।’









