লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি ও কমলনগরের নদী ভাঙ্গনরোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘আমরা রামগতি-কমলনগরবাসী’ আয়োজিত এক মানববন্ধনে রামগতি ও কমলনগর নদীতীরের বসবাসকারীরা এ দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, ২০১৪ সালে একই সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়োজিত ঠিকাদারের নির্মিত বাঁধ যেখানে বছরে ১০ বারেরও অধিক সময় ভেঙে যায়, সেখানে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত বাঁধ এখন পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে। নদীভাঙনে এই এলাকার জনগণের বাস্তুভিটা বিলীন হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মেঘনা নদী তীরবর্তী এই বাঁধ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বেঁচে থাকার এই স্বপ্ন নিয়ে কোনও অনিশ্চয়তায় পড়তে চাই না।
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারা আরও বলেন, বাঁধ নির্মাণে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অতীতে আমরা এ এলাকায় সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নির্মিত বাঁধ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়োজিত ঠিকাদারের মাধ্যমে নির্মিত বাঁধের মধ্যকার পার্থক্য দেখেছি। তাই রামগতি-কমলনগরের নদী তীরবর্তী এলাকা রক্ষায় বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষভাবে দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. গোলাম ফারুক পিংকু, জেলা যুব লীগের আহ্বায়ক বিপি হেলাল, রামগতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. আশরাফ আলী প্রমুখ।









