মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনও নারীর ক্ষেত্রে তিনবার রিমান্ড চাওয়ার নজিরে নেই। চিত্রনায়িকা পরীমণির আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহীনুজ্জামান শাহীন মঙ্গলবার দিবাগত রাতে (১ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তরের টকশো ‘একাত্তর জার্নালে’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
আইনজীবী বলেন, ‘মাদক মামলায় ১৯ দিন যে রিমান্ডে আবেদন করা হয়েছিল, এরকম নজির আমরা সাধারণত দেখিনি। ১৯ দিনের মধ্যে তিন দফায় চিত্রনায়িকা পরীকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। যা খুবই অমানবিক এবং অবিচার। মাদক মামলায় এ ধরনের রিমান্ড নজিরে নেই।’
নারী ও শিশুর সাধারণত বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে বলেও দাবি করেন অ্যাডভোকেট শাহীনুজ্জামান।
এছাড়া তাকে রিমান্ডে নিয়ে কি পাওয়া গেল এ বিষয়ে পুলিশের নথিতে কিছু উল্লেখ করা নেই বলে টকশোতে অংশ নিয়ে মন্তব্য করেন দৈনিক আজকের পত্রিকার উপদেষ্টা মামুন আবদুল্লাহ।
এর আগে মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) এক জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েসের আদালত পরীমণি একজন নারী, অভিনেত্রী ও তার অসুস্থতা বিবেচনায় ৫০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।
মূলত গত ২৫ আগস্ট পরীমণির বিরুদ্ধে হওয়া মাদক মামলার জামিন শুনানির জন্য দীর্ঘদিনের ব্যবধানে (প্রায় ২০ দিন) দিন ধার্য করা নিম্ন আদালতের আদেশের যৌক্তিকতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে তার আইনজীবী রিভিশন আবেদন জানান। একইসঙ্গে ওই আবেদনে পরীমণির জামিন চাওয়া হয়।









