কৃষিপণ্যের রফতানি বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশে অ্যাক্রিডিটেশন ল্যাব উন্নয়নে ও ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য নেদারল্যান্ডসের কৃষি মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে। এক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করবে। এতে নেদারল্যান্ডসে কৃষিপণ্য রফতানির বিরাট সম্ভাবনা তৈরি হবে।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) রাতে নেদারল্যান্ডসের কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সে দেশের কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি-খাদ্য বিষয়ক সরকারি কর্মকর্তা-বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (১০ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক উদ্বৃত্ত ফসল রয়েছে। কিন্তু রফতানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। আমাদের অর্থের অভাব নেই, কিন্তু প্রয়োজন কারিগরি ও জ্ঞান-বিনিময়ে সহযোগিতা। এক্ষেত্রে আমরা নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা কামনা করি।
নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রফতানির বাধা দূর করতে নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধি দলের সবাই একযোগে কাজ করবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। রফতানির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা ডকুমেন্টেশন তৈরিতেও তারা সহযোগিতা প্রদান করার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া, বীজ উৎপাদন ও পরিবহণে এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতে দুদেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার ও সহযোগিতা বাড়াবে বলেও জানান হয়।
বৈঠকে নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ, ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউভেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের এগ্রি-ইন্টারন্যাশনালের উপ-মহাপরিচালক গুইদো ল্যান্ডহিরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রো লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এফএইচ আনসারী, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের চিফ অপারেটিং অফিসার পারভেজ সাইফুল ইসলাম, জেমকন গ্রুপের ডিরেক্টর কাজী ইনাম আহমেদ, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, এবং বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবল অ্যান্ড এলাইড প্রোডাক্ট এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।









