ভাড়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে অবশেষে পুলিশের মধ্যস্থতায় ‘হাফ ভাড়া’ নিতে রাজি হয়েছে রাইদা পরিবহন কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৫ নভেম্বর) বিকালে রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর রামপুরায় বিটিভি ভবনের সামনে রাইদা পরিবহনের একটি বাস থেকে ঢাকা ইম্পেরিয়াল কলেজের এক শিক্ষার্থীকে ‘ঘাড় ধাক্কা দিয়ে’ নামিয়ে দেয় রাইদা পরিবহনের একটি বাসের স্টাফরা। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন পরিবহনের অন্তত অর্ধশত বাস আটকে রাখে। এতে রামপুরা সড়কে প্রায় একঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পরে পুলিশ এসে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। খবর দেওয়া হয় রাইদা পরিবহন কর্তৃপক্ষকে। পরবর্তী সময়ে রামপুরা থানায় সমঝোতা বৈঠকে বসে শিক্ষার্থী, রাইদা পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, রাইদা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখে হাফ ভাড়া নিতে রাজি হয়েছে। এছাড়া নারী আসনের নয়টিতে নারী যাত্রীদের বসানোর বিষয়ও তারা নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছেন।
সমঝোতার পর রাইদা পরিবহনের আটক অন্তত ২০টি বাস ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির রামপুরা ট্রাফিক জোনের এসি তানভীর রহমান।
প্রসঙ্গত, গেল ৯ নভেম্বর রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের বিপরীত পাশে রাইদা পরিবহনেরই একটি বাস থেকে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সেই বাসটির চালক ও তার সহযোগীকে এরই মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাব।









