কর্মজীবী নারী’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সংসদ সদস্য শিরীন আখতার বলেছেন, সংবিধান নারীকে সমান অধিকার দিয়েছে। কিন্তু আমরা কি এগোতে পেরেছি? নারী বলে এখনও আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আমাদের সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। একজন নারী অনেক মর্যাদা নিয়ে কাজে যাচ্ছেন সবসময়। তাই আমাদের নিজেদেরও আমাদের নারীদের সঠিকভাবে তৈরি করতে হবে।
সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) সিরডাপে নারী অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় করণীয় বিষয়ক জাতীয় পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এশিয়া প্যাসিফিক ফোরাম অন ওমেন, ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সহযোগিতায় কর্মজীবী নারী, সবুজ অভিযান এবং ডব্লিউএআরবিই ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
শিরীন আখতার বলেন, একজন নারীর জন্য যে কোনও কাজ, ঘরে বা বাইরে, দেশে বা বিদেশে যেখানেই হোক প্রধান সমস্যা হলো- সে নারী। কিন্তু তাকে যদি আমরা তার কর্ম দিয়ে বিবেচনা করি, তাকে যদি আমরা মর্যাদা দেই, তবেই তার প্রতি আমাদের সঠিক মূল্যায়ন করা হবে।
মতবিনিময় সভায় অভিবাসন প্রত্যাশী নারীদের সুরক্ষায় গন্তব্য দেশ অনুযায়ী যুগোপযোগী তিন মাসব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাসহ ১২ দফা সুপারিশ জানিয়েছে। তাদের অন্যান্য সুপারিশগুলো হলো— নারীর অভিবাসন নিরাপদ করতে বিদেশ যাওয়ার পর তার সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখতে হবে। নারীর অভিবাসন নিরাপদ করতে ও বৈধ অভিবাসনের জন্য ওয়ার্ড পর্যায়ে অভিবাসন সেল গঠন করতে হবে। অভিবাসী নারীর সঙ্গে যেন অবশ্যই ফোন থাকে ও সরকারিভাবে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ রাখতে হবে। এছাড়া আরও কিছু সুপারিশ করেন বক্তারা।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কর্মজীবী নারীর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সানজিদা সুলতানা, সবুজের অভিযান ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মাহমুদা বেগম, ওয়্যারবী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুল হক, কর্মজীবী নারীর রিসার্চ কো-অর্ডিনেটর ফারহানা আফরিন তিথি প্রমুখ।









