একাত্তরের এই দিনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে নির্মমভাবে হত্যা করে এদেশের মেধাবী সন্তানদের। তাদের স্মরণে জাতীয় বুদ্ধিজীবী দিবসে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নেমেছে সাধারণ মানুষের ঢল। দিনটির ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সেদিনের ঘটনাকে তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর।
মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) রায়েরবাজার বধ্যভূমি এলাকায় প্রতীকী কর্মসূচির বিষয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংগঠনের উপদেষ্টা হালিম বাদশা।
তিনি বলেন, ‘আমরা যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠিক তখনই জাতির মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে এই বধ্যভূমিতে ফেলে রাখা হয়। সেই সময়ের ঘটনা নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য আমাদের এই অবস্থান।’
‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ভেবেছিল, দেশটাকে মেধাশূন্য করে দেওয়া হলে এ জাতি কখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না’, যোগ করেন হালিম বাদশা। তিনি বলেন, ‘তারা জেনে গিয়েছিল, আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে; সে কারণেই ১৩ ডিসেম্বর রাতে বুদ্ধিজীবীদের ধরে এনে হত্যা করে এ রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে ফেলে রাখা হয়।’
খেলাঘর আসরের এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে সেদিনের সেই নারকীয় ঘটনার কিছুটা হলেও তরুণ প্রজন্মকে জানাতে পারবো, এই লক্ষ্যেই প্রতিবছর আমরা এ কর্মসূচি পালন করে আসছি।’









