জেলায় জেলায় শৈত্যপ্রবাহের খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। উত্তরের জেলাগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমের কয়েক জেলায়ও থাকবে এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর ফলে সারাদেশের আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও বরিশাল অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।
আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলসহ দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ। বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি আরও দুদিন স্থায়ী হতে পারে এবং আরও এলাকায় বিস্তার লাভ করতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ কাঘের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় বিরাজমান। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর তৎসংলগ্ন বিষুবীয় ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে উত্তর সুমাত্রা উপকূলের অদূরে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার (২০ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে যশোরে ৭ দশমিক ৪, তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৮, ঈশ্বরদীতে ৯, রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৪, রাজারহাটে ৯.৫, বদলগাছিতে ৯.৮, বরিশালে ৯.৯ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৮ জেলার তাপমাত্রা ১০-এর ঘরেই রয়েছে। জেলাগুলো হলো, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, তাড়াশ, ডিমলা, মোংলা, সাতক্ষীরা ও কুমারখালী।
সাধারণত বড় এলাকাজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৮-১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।









