জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগ ‘ভাস্কর্য ও ম্যুরালে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ’ শিরোনামে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সপ্তাহব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত খ্যাতিমান ফটোসাংবাদিক পাভেল রহমান, বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক ইমরান রহমান এবং ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা। এমএসজের আলোকচিত্র শিক্ষা নবীশ কার্যক্রম-শাটারবাগ এ প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
পাভেল রহমান বঙ্গবন্ধুর ছবি তোলা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, ‘একটি দেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং দেশনায়ক হিসেবে মানুষ তাঁকে যতটা জানতো, তিনি জীবনাচারণে ছিলেন তার চেয়েও অনেক বেশি সাধারণ। একজন রাষ্ট্রপতির বাসায় কোনও এসির ব্যবস্থা ছিল না, কোনও কার্পেট ছিল না। তিনি সাধারণত গরমে ফ্যানের নিচে না বসে ছাদে খোলা বাতাসে বসতে পছন্দ করতেন।’
সারাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ সব ভাস্কর্য ও ম্যুরালের ছবি ক্যামেরায় তুলে এনে তা প্রদর্শনীর আয়োজন করায় শাটারবাগকে ধন্যবাদ জানান ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক ইমরান রহমান। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সারাবছর আমাদের সব আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুকে জানতে ভূমিকা পালন করেছে। বছরের শেষে এসে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।’ তিনি শাটারবাগের এমন ক্রিয়েটিভ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মতূর্জা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অল্প কিছু ছবিই আমরা সংরক্ষণ করতে পেরেছি। একাত্তর পূর্ববর্তী সময়ের বা তারও আগের ছবি তেমন একটা কেন পাওয়া যায় না তরুণ প্রজন্মকে সেটি চিন্তা করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে জানতে হবে তারা কারা, যারা ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টা করেছিল।’
উদ্বোধনী পর্বে ইউল্যাবের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও শাটারবাগের এক্সিকিউটিভস-সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর নির্মীত ভাস্কর্য ও ম্যুরালের আলোকচিত্র নিয়ে ইউল্যাবের ধানমন্ডির গবেষণা ভবনে আয়োজিত প্রদর্শনীটি আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।









