ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দূরদর্শিতার সঙ্গে জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ২১০০ সালে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে তিনি ডেল্টা প্ল্যান গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলা অ্যাকাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব ডা. দিলীপ কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন শীল গোপাল, আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসান, আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ্র পাল, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত পাল বক্তৃতা করেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিশ্ব নেতৃত্ব বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে আগামীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিকল্প নেই।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা একটি ধর্ম নিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতার মূলনীতি যুক্ত করেছিলেন। ধর্ম নিরপক্ষেতার মাধ্যমে তিনি সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনুসারীদের নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার ভোগ করার কথা বুঝিয়েছিলেন।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ন্যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকার গত ১২ বছরে সারা দেশে অসংখ্য মঠ, মন্দির, আশ্রম ও শশ্মানের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করেছে।’
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সারা দেশে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের আওতায় অসংখ্য শিশুকে ধর্মীয় ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। প্রথমবারের ন্যায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় গীতা শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে গীতা শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।









