রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য ২০১৮ সালের জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইন কর্মকর্তা (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল) নিয়োগের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানির জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচাপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া। বার কাউন্সিলের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ১৭৫ জন আইন কর্মকর্তার (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল) নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া।
আইনে নির্ধারিত পেশাগত অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ না করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ দেওয়ায় রিটটি দায়ের করা হয়। রিট আবেদনে আইন কর্মকর্তা নিয়োগে স্থায়ী প্রসিকিউশন সার্ভিস করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, ওই নিয়োগটি বাংলাদেশ ল’ অফিসার অর্ডার-১৯৭২ এর ৩(৩) নম্বর অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এএজি নিয়োগ পেতে হলে সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বছর আইনজীবী হিসেবে পেশায় থাকতে হবে। কিন্তু নিয়োগে আইনের এই শর্ত মানা হয়নি।
ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন।
রুলে দুই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) হারুনুর রশীদ ও কামালউদ্দীন আহমেদ এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) আল মামুন কোন কর্তৃত্ব বলে পদে আছেন, তা জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।
আইন মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর, বার কাউন্সিল সচিব ও সংশ্লিষ্ট তিন ডিএজি ও এএজিকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।









