যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহাগ। নিজে কারাভোগ না করে টাকার বিনিময়ে আরেকজনকে সোহাগ সাজিয়ে কারাভোগ করিয়েছেন। তবে আসল সোহাগের শেষরক্ষা হয়নি। মূল আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
রবিবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর মিটফোর্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রবিবার রাজধানীর কাওরানবাজার র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে র্যাব-১০ এর অধিনায়ক অ্যাডিশনাল ডিআইজি মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, প্রকৃত আসামি সোহাগ সুকৌশলে দেশত্যাগের চেষ্টা করে। এজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বদলে পাসপোর্ট তৈরি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসাও সংগ্রহ করে। দেশত্যাগে করোনার টিকা বাধ্যতামূলক হওয়ায় গতকাল করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিতে সে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল মিটফোর্ড হাসপাতালে আসে। সেখানেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আদালতের রায় প্রকাশের পর আসল সোহাগ ওরফে বড় সোহাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী তার ফুফাতো ভাই মো. হোসেন সোহাগ ২০১৮ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাকে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগেও মাদকাসক্ত হোসেন একবার পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে জেল খেটেছিল। ২০২১ সালের মাঝামাঝিতে একজনের পরিবর্তে অন্যজনের জেলা খাটার বিষয়টি আদালতের নজরে এলে আদালত কারা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন চায়। প্রতিবেদনে ২০১০ সালে ধৃত আসামী সোহাগ আর হাজতে থাকা সোহাগের অমিল উঠে আসে।









