অনলাইনে নয়, সশরীরে শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করতে চান চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, দুই ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও চীনে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা নিচ্ছে না বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে সে দেশে ফিরে যাওযার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চীনে প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন, যারা বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়নরত। ২০২০ সালে করোনা মহামারিতে আমাদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার পরে আজ ও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চীনে ফেরত নেওয়া হয়নি। এ কারণে হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে ভবিষ্যৎ জীবন অন্ধকারে ধাবিত হচ্ছে।’
তারা বলেন, চীনে অধ্যয়নরত বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যালের শিক্ষার্থী। তারা চায়নার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে না পারায় ব্যবহারিক ক্লাস, ল্যাব করতে পারছে না। চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্ন করার সুযোগ পাচ্ছে না। মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে শিখতে পারছে না, অনলাইনে গ্রন্থগত বিদ্যা তাদের জন্য পর্যাপ্ত নয়। পড়াশোনা ভালোভাবে শেষ করার জন্য তাদের যত দ্রুত সম্ভব চীনে ফিরে যাওয়া জরুরি।
তারা আরও বলেন, করোনাভাইরাস সংকট স্বাভাবিক হওয়ার পর বিশ্বের প্রায় সব দেশের শিক্ষার্থীরা যেতে পারলেও, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে চীন সরকারকে কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। তাই সরকারের কাছে জোর দাবি, দ্রুত শিক্ষর্থীদের চীনে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
মানববন্ধনে চীনে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মো. মাহমুদুল হাসান, সিদ্দিকী ইবনে ওয়াহীবসহ ১০-১২ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।









