কোনও ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যায়। ওই প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে এসব মৃত্যুর আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু ময়নাতদন্ত ভুল হলে তা যাচাইয়ের উপায় কী? পুলিশ কি ময়নাতদন্তকারী বিশেষজ্ঞদের বিজ্ঞানসম্মত মতামত কেবল সাক্ষী ও আসামির বক্তব্যের ভিত্তিতে ভুল বলতে পারে?
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি হত্যা মামলায় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ। একটি ‘বিশেষজ্ঞ রিপোর্ট’ আরেকটি ‘বিশেষজ্ঞ রিপোর্ট’ দিয়ে ভুল প্রমাণ করতে হবে। কারও মুখের কথাও কখনও ‘বিশেষজ্ঞ রিপোর্ট’ ভুল প্রমাণ হয় না। ময়নাতদন্ত রিপোর্টে যাই থাকবে, আদালতে সেটাই অগ্রাধিকার পাবে। খুন হয়ে থাকলেও ময়নাতদন্ত রিপোর্টে যদি আত্মহত্যা থাকে তাহলে আসামিরা সেটির সুবিধা পাবে। তাই ময়নাতদন্ত রিপোর্টের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবীরা।
২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল রাজশাহী নগরের আবাসিক হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনালের একটি কক্ষ থেকে মৃত অবস্থায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মিজানুর রহমান এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী সুমাইয়া নাসরিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা ছিল, মিজানুর সুমাইয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্টেও তাই বলা হয়েছে।
ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তবে আদালত মামলাটি পুনর্তদন্তের জন্য পিবিআই’কে নির্দেশ দেন। পিবিআইয়ের তদন্তে দেখা যায়, সুমাইয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রাহাত মাহমুদ নামে এক যুবকের। কিন্তু সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। এরপর সুমাইয়ার সঙ্গে মিজানুরের প্রেমের সম্পর্ক হয়। পাবনা থেকে সুমাইয়া মিজানুরের সঙ্গে দেখা করতে রাজশাহী আসেন। এসে নাইস হোটেলে ওঠেন। সেখানে রাহাত মাহমুদ, তার বন্ধু রাজশাহীর বরেন্দ্র কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আহসান হাবিব ওরফে রনি, রাজশাহী কলেজের ছাত্র আল আমিন ও বোরহান কবির ওরফে উৎস মিলে জানালা দিয়ে ঢুকে তাদের খুন করে। এই ঘটনায় আদালতে অভিযুক্তরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।
ময়নাতদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যা বলা হলেও পিবিআইয়ের তদন্ত রিপোর্টে পুরো খুনের ঘটনা চলে আসে। তবে এরপরও আসামিরা ময়নাতদন্ত রিপোর্টের কারণে সুবিধা পাবে। এমনকি তারা খালাসও পেতে পারে।
পিবিআই গত তিন বছরে এরকম ১৪টি ঘটনা তদন্ত করেছে। যেগুলো ময়নাতদন্ত রিপোর্টে সড়ক দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা বলা হলেও পিবিআইয়ের তদন্তে সেগুলো খুন বলে উঠে এসেছে। তবে এসব নিহতের ঘটনায় কোনোটির পুনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়নি। সাক্ষীদের বক্তব্যে খুনের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
এসব ঘটনার মধ্যে রয়েছে, ২০১৮ সালের ২৮ জুন ভোরে বেলকুচি উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল তাঁত মালিক নুরুল ইসলাম ওরফে নুর ইসলামের ঝুলন্ত লাশ। এ ঘটনায় মামলায় পর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আত্মহত্যা’ করেছেন নুর ইসলাম। পরে আদালতে পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রেও (চার্জশিট) এটিকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ঘটনার তিন বছর পর পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, খুন হয়েছিলেন নুর ইসলাম। সমকামিতায় বাধ্য করায় তাকে গলা টিপে হত্যা করেন একই গ্রামের তাঁত শ্রমিক ওমর ফারুক। এরপর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেন। ঋণের টাকা তুলতে ব্যর্থ হওয়ায় নুর ইসলাম রাগে-ক্ষোভে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে জানান ফারুক। তবে গত বছর ২৯ এপ্রিল আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।
একটি হত্যাকাণ্ডে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যা বলে মতামত দেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
এ ছাড়াও ২০১২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার শেরপুরের ছবের আলীকে তার বোন, বোনের স্বামী ও ভাগনে খুন করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে দাবি করে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টেও বলা হয় আত্মহত্যা।
২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের নান্দাইলে শ্যামল ও রশিদ মেকারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক এটিকে আত্মহত্যা বলে রিপোর্টে মত দেন। থানা পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তবে পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, শ্যামলের স্ত্রীর সঙ্গে সালাম নামে এক ব্যক্তির পরকিয়ার সম্পর্কের জেরে শ্যামল খুন হন। রশিদ মেকার সেই খুনের দৃশ্য দেখে ফেলায় সালাম ও তার সহযোগীরা রশিদ মেকারকেও খুন করে। এই জোড়া খুনকে আত্মহত্যা বলা হয়েছিল ময়নাতদন্ত রিপোর্টে।
২০১০ সালের ২৩ জুন চকবাজারের আনিসুর রহমানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত রিপোর্টে এটিকে আত্মহত্যা বলা হয়। থানা পুলিশ, ডিবি ও সিআইডি তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, আনিসের জোসনা বেগম নামে এক নারীর সঙ্গে প্রেম ছিল। তবে জোসনা রাজ্জাক নামে অপর একজনের সঙ্গেও সম্পর্ক করে এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে বাধা দেন আনিস। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে জোসনা আনিসের মাথায় লোহার ডাইস দিয়ে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই মারা যায় আনিস। এরপর তারা দুজনে আনিসের লাশ ঝুলিয়ে রাখে।
একইভাবে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির গাজীপুরের রত্না হত্যাকাণ্ড, ২০১৫ সালের জুনে গাজীপুরের ফারহানা হত্যাকাণ্ড, ২০১৫ সালের মে মাসের মুন্সীগঞ্জের নিলুফার হত্যাকাণ্ড, ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ময়মনসিংহের নান্দাইলের খায়রুল ইসলাম হত্যাকাণ্ড, ২০১৫ সালের মার্চের গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া সাহার পারভীন রাইসা হত্যাকাণ্ড, ২০১৭ সালের এপ্রিলে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের আজমিরা হত্যাকাণ্ড, ২০১৪ সালের এপ্রিলে আল আমিন নয়ন হত্যাকাণ্ড এবং ২০১৪ সালের অক্টোবরে গোপালগঞ্জের মাদ্রাসাছাত্র রিয়াজুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যা বলা হয়েছে। থানা পুলিশ আত্মহত্যা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনও দিয়েছে, তবে পিবিআই পুনর্তদন্ত করে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রমাণ পেয়েছে। এসব ঘটনায় পিবিআই আদালতে আসামি করে অভিযোগপত্র দিয়েছে।
পিবিআইয়ের এসব অভিযোগপত্রের কী হবে?
এসব ঘটনার প্রতিটিতে দেখা গেছে, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক রিপোর্টে লিখেছেন, ‘Suicidal in nature’ বা আত্মহত্যা। আর যেসব লাশ সড়কে বা ট্রেন লাইনে পাওয়া গেছে সেসব ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে দুর্ঘটনা বলা হয়েছে। পিবিআই এই ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আমলে না নিয়ে তদন্ত করেছে এবং তাদের তদন্তে প্রতিটি ঘটনা হত্যাকাণ্ড বলে প্রমাণ মিলেছে। আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে। অভিযুক্তরা আদালতে স্বীকারোক্তিও দিয়েছে। তবে এই অভিযোগপত্রে কি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে? এমন প্রশ্ন উঠেছে। কারণ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট তো বলছে আত্মহত্যা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মামলায় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট একটা গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তবে এটিই কেবল শাস্তি নিশ্চিত করবে বা করবে না– এর কোনোটাই শতভাগ বলা যাবে না। যেমন– কেবল আমি আদালতে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দাখিল করলাম, তাতেও শাস্তি হবে না, সঙ্গে পুলিশ রিপোর্টও প্রয়োজন। আবার কেবল পুলিশ রিপোর্ট দিলাম, কিন্তু মৃত্যুর কারণ জানা গেলো না, তাহলেও আসামির শাস্তি নিশ্চিত করা যাবে না। তাই দুটির একটির সঙ্গে অপরটির মিল থাকা প্রয়োজন।’
একটির সঙ্গে অপরটির বিরোধিতা হলে খুনিরা পার পেয়ে যাবে তেমন না, তবে সুবিধা পাবে। কখনও কখনও খালাসও পেয়ে যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন। কারণ সাক্ষ্য আইনে বিশেষজ্ঞ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ রিপোর্ট চ্যালেঞ্জ করা প্রয়োজন হলে পুনরায় ময়নাতদন্ত করা যেতে পারে।
ময়নাতদন্তে কেন ভুল হয়?
ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ভুল হওয়ার বিষয়ে পিবিআই কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। সেগুলো হলো– ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকা, সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক দিয়ে অসংখ্য ময়নাতদন্ত করানো, ময়নাতদন্ত করার পর্যাপ্ত সময় না পাওয়া, আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকা, ডোম নিয়োগে নীতিমালা না থাকা, ডোমদের প্রশিক্ষণ না থাকা, পুনরায় লাশ উত্তোলন ও আলামত সংগ্রহের অভিজ্ঞ চিকিৎসক না থাকা, চিকিৎসকদের ডোমদের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা, পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টের ওপর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রদান, দায়সারা ময়নাতদন্ত করা, ময়নাতদন্তে বোর্ড গঠন না করা, প্রভাবিত হয়ে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রদান, সাক্ষী হওয়ার ভয়ে চিকিৎসকরা ময়নাতদন্তে অংশ নেয় না, চিকিৎসকদের প্রণোদনা না থাকা, ভিসেরা আলামত ঠিকঠাক সংরক্ষণ না করা এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রদানে বিলম্ব।
ময়নাতদন্তকারী বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
দেশে সবচেয়ে বেশি ময়নাতদন্ত হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে। এই বিভাগের দীর্ঘদিন প্রধান ছিলেন অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ। বর্তমানে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন।
সোহেল মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের দুই-একটি ভুল হতে পারে। এই ভুলটা গণহারে হয় না। ভুল হওয়ার প্রধান কারণ হলো– আলামত নষ্ট করা, ঘটনাস্থলের সঠিক বর্ণনা না পাওয়া।’
তিনি বলেন, ‘উন্নত বিশ্বে এসব ক্ষেত্রে যেভাবে কাজ করা হয়, আমাদের দেশে তা হয় না। একটি লাশ পাওয়া গেলে, সেখানে প্রথমেই একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ যাবেন, তিনি আলামত সংগ্রহ করবেন। কিন্ত আমাদের দেশে শ্রমিক ও দিনমজুর দিয়ে লাশ সংগ্রহ করা হয়। আলামত নষ্ট করা হয়। তাই সঠিক কারণ নির্ণয় করা কঠিন।’ তিনি প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কথাও জানান।
ফরেনসিক বিভাগে কোনও চিকিৎসক ক্যারিয়ার গড়তে চান না
অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘সারাদেশে হাতেগোনা কয়েকজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক রয়েছেন। এই বিভাগে কেউ আসতে চান না। এখানে কেউ ক্যারিয়ার গড়তে চান না। কারণ অন্য বিভাগে গেলে চিকিৎসা পেশা চর্চা করে আয় করা যায়। এই বিভাগে কোনও আয় নেই। উন্নত বিশ্বে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের জন্য ভাতা রয়েছে, আমাদের দেশে সেটা নেই। উল্টো দেশের বিভিন্ন আদালতে সাক্ষী দিতে হয়। এটিকে চিকিৎসকরা হয়রানি মনে করেন। সাক্ষ্য দিতে গেলে যে খরচ তাও চিকিৎসককে বহন করতে হয়। এ ছাড়াও চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি পুলিশ দেখে না। এ নিয়েও অনেকে ভয়ে থাকেন। এসব কারণে ফরেনসিকে চিকিৎসকরা ক্যারিয়ার গড়তে চান না।’
পিবিআইয়ের বক্তব্য
পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটিয়ে কেউ পার পেয়ে যাবে, তা হতে পারে না। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা এই ক্লুলেস মামলাগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তে এটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ড। আসামিরা নিজেরা তা স্বীকার করেছে।’
ময়নাতদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যা থাকলে সেটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে আদালতে প্রমাণ করা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আসামিরা সুবিধা পাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসামিরা সুবিধা পাবে অবশ্যই। তবে হত্যাকাণ্ডটি যে জানা গেলো, তারা গ্রেফতার হলো– এ জন্য কিছুটা হলেও তাদের শাস্তি হবে। হয়তো আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা পুলিশকে কটাক্ষও করবে, কিন্তু আমরা আমাদের সাক্ষ্য-প্রমাণে স্পষ্ট অবস্থানে– এগুলো হত্যাকাণ্ড।’









