পুরান ঢাকার হোসনি দালানে ২০১৫ সালে পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় বোমা হামলা মামলায় চাঁন মিয়া, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ, শাহ জালাল মিয়া ও ওমর ফারুক ওরফে মানিককে ‘অযথা’ আসামি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ‘তদন্ত কর্মকর্তা শুধু আসামি সংখ্যা বাড়ানোর জন্য এটা করেছেন।’
মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রায়ের পর্যবেক্ষণে এ কথা বলেন।
পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, আসামি চাঁন মিয়া, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ, শাহ জালাল মিয়া ও ওমর ফারুক ওরফে মানিক কীভাবে এ মামলায় জড়িত তদন্ত কর্মকর্তা এ বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেন নাই। তাছাড়া কোনও সাক্ষী এই চারজনের বিরুদ্ধে কিছুই বলেন নাই। রাষ্ট্রপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে গ্রেনেড হামলা বিস্ফোরণের অংশগ্রহণ করেছেন বা সহায়তা করেছেন- এই অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। রায়ে এই চার আসামিসহ ৬ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আর দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন। মামলাটি চার্জশিটভুক্ত অপর দুই আসামি জাহিদ হাসান ও মাসুদ নাবালক হওয়ায় তাদের বিচার শিশু আদালতে বিচারাধীন।
২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে পবিত্র আশুরার মিছিলের প্রস্তুতিকালে তাজিয়া মিছিলে জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) জঙ্গিরা বোমা হামলা চালায়। এতে দুজন নিহত ও শতাধিক আহত হন। ওই ঘটনায় রাজধানীর চকবাজার থানায় উপ-পরিদর্শক জালাল উদ্দিন মামলাটি দায়ের করেন।
এরপর ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক শফিউদ্দিন ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ২০১৭ সালের ৩১ মে মামলাটির অভিযোগ গঠন করেন।









