‘মানি লন্ডারিং অপরাধগুলো যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে দেশের আর্থিক ব্যবস্থা অস্থিতিশীল হতে পারে। উদীয়মান বাজারে উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্তও করতে পারে। উপযুক্ত শাস্তি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অর্থ পাচারের অপরাধ থেকে বিরত রাখতে পারে।’
সোমবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন রায়ের পর্যবেক্ষণে এসব কথা বলেন।
পর্যবেক্ষণে বলা হয়,‘আইনের শাসন এবং দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অর্থপাচার নিঃসন্দেহে মারাত্মক হুমকি। মানি লন্ডারিং এখন একটি গুরুতর অপরাধ।’
সোমবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ইকবাল হোসেনের আদালত এনু ও রূপমসহ ১১ জনের ৭ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আরও ৪ কোটি টাকার অর্থদণ্ডের আদেশও দেন আদালত।









