জাতীয় স্বার্থে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল করে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানোর দাবি জানিয়েছে বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী মহাজোট। বুধবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী মহাজোট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
বায়রার সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটি পুনরায় চালু করার জন্য ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর নতুন করে দুই দেশের মধ্যে এমওইউ সই হয়। কিন্তু গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ান মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান এমওইউ’র বিষয়বস্তুগুলো পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী আমদানির লক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীকে লিখিত প্রস্তাব পাঠান। যতদূর জানা যায়, উভয় দেশের একটি স্বার্থান্বেষী মহলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মালয়েশিয়ান মন্ত্রী এমন প্রস্তাব উত্থাপন করেন।’
তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য ২৫ সিন্ডিকেটের সদস্যরা অতীতের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার চালিয়ে আমাদের বিভ্রান্ত করছে। ইতোমধ্যে তারা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই মেডিক্যাল সেন্টারের বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছে।’
আলী হয়াদার চৌধুরী বলেন, ‘এর আগে ২০১৬ সালে ১০ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চালু হয় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের কারণে মাত্র দেড় বছরের মাথায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়ান সরকার। বাতিল করে এসপিপিএ নামক ১০ এজেন্সির অটো ডিস্ট্রিবিউশন পদ্ধতি। বাজারটি বন্ধ হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই দেশের নিরীহ কর্মীরা।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন–বায়রার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাসার, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেন, সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান প্রমুখ।









