শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিলের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এমপি পদে মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী কোন কর্তৃত্ববলে বহাল রয়েছেন— তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহ ১০ বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মে) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. বুরহান খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এএমজি সারোয়ার পায়েল ও ইশিতা পারভীন এবং আশিকুল হক।
এর আগে টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ২০১৪ সালে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারিত হন ও দল থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। সংসদ থেকে পদত্যাগ করার পর উপ-নির্বাচনে হাসান ইমাম খান টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী (নৌকা) প্রতীক নিয়ে এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো তিনি নির্বাচিত হন।
রিটের বিষয়ে আইনজীবী মো. বুরহান খান জানান, হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে গত বছরের ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবর চিঠি দেন দেন স্থানীয় বাসিন্দা ও আওয়ামী লীগ নেতা মোখলেসুর রহমান। ওই চিঠিতে বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি নিষ্পত্তি না করায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তিনি।
২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর ওই রিট খারিজ করেন হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ। পরে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল চেয়ে আরও একটি রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করলেন আদালত।









