২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ড. কামাল হোসেনের ২০ কোটি ১১ লাখ ৪ হাজার ২১৯ টাকার সম্পদ দেখিয়ে ৬ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫১ টাকা ট্যাক্স দাবি করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এ ঘটনায় এনবিআরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলেট ট্রাইব্যুনালে যান ড. কামাল হোসেন। ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন খারিজ করে দেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ড. কামাল হোসেনের ল ফার্মের পক্ষে করা রিট করা হয়। সেই রিটের শুনানি মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (১২ জুন) বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আহমেদ ও বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন। পরে তানিম হোসেন শাওন বলেন, ‘‘আমরা রিট শুনানির জন্য ‘নট টু ডে' ও ‘নট টুমরো’ সময় চেয়েছি। আদালত শুনানি মুলতবি করেছেন। আগামী ১৪ জুন রিটের ওপর পরবর্তী শুনানি হতে পারে।’’
রিট আবেদনে থাকা তথ্য অনুসারে জানা গেছে, এর আগে ২০১৮- ২০১৯ অর্থবছরে ড. কামাল হোসেন ১ কোটি ৪ লাখ ৩ হাজার ৪৯৫ টাকা আয় দেখিয়ে রিটার্ন দাখিল করেন। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০ কোটি ১১ লাখ ৪ হাজার ২১৯ টাকার সম্পদ দেখিয়ে ৬ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজা ৩১৫ টাকা ট্যাক্স এবং সুদ ৮৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬৩৪ টাকা দাবি করে। পরে রাজস্ব বোর্ডের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলেট ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন ড. কামাল হোসেন। আপিলেট ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন খারিজ করে দেন।
এরপর সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ড. কামাল হোসেনের ল ফার্ম ‘ড. কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’।









