রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা। সকালের দিকে রিকশায় চড়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন আলেয়া বেগম। পথিমধ্যে এক স্বাস্থ্যকর্মী রিকশা থামিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনি কলেরার টিকা খেয়েছেন?’ জবাবে তিনি জানান, এ বিষয়ে তার জানা নেই। পরে স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে বসা অবস্থাতেই তরল টিকা খাইয়ে দেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
শুধু আলেয়া বেগমই নন, সকালে অনেককেই এভাবে ডেকে ডেকে টিকা খাওয়াচ্ছেন তারা।
প্রথম ডোজের পর কলেরার এ টিকার দ্বিতীয় ডোজ ১৪ দিন পর খেতে হয়।
গত রবিবার (২৬ জুন) থেকে ঢাকা শহরের পাঁচটি এলাকায় কলেরার টিকার প্রথম ডোজ খাওয়ানো শুরু হয়েছে।
এক বছরের বেশি বয়সী সব মানুষকে এ টিকা দেওয়া হচ্ছে।
মুখে খাওয়ার টিকা কার্যক্রম চলবে আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত।
স্বাস্থ্যকর্মীরা বুথ থেকে আশাপাশের স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়েও টিকা খাওয়াচ্ছেন।
পথচারী, শিক্ষার্থী সবাইকে ডেকে টিকা খাইয়ে দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
পাঁচটি এলাকার ৭০০টি কেন্দ্রে কলেরার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
টিকা দেওয়ার জন্য যাত্রাবাড়ীতে ১০০টি, সবুজবাগে ১৭০, দক্ষিণখানে ১৫৭, মিরপুরে ৯৫ ও মোহাম্মদপুরে ১৭৮টি কেন্দ্র করা হয়েছে।
এসব এলাকায় মোট ৩০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।
গর্ভবতী নারী ও যারা গত ১৪ দিনের মধ্যে করোনা কিংবা অন্য কোনও টিকা নিয়েছেন, তারা এ টিকা নিতে পারবেন না।
দেশে এত বড় পরিসরে এই প্রথম এত বেশি মানুষকে কলেরার টিকা দেওয়া হচ্ছে।