শুধু নেতিবাচক সংবাদ নয়, অভিবাসী নারীদের কর্মস্থলে অধিকার সম্পর্কিত তথ্যসহ উপকারে আসে এমন সব তথ্য গণমাধ্যমগুলোতে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অভিবাসী নারী শ্রমিকের অধিকার বিষয়ক আলোচনা সভায় বক্তারা এ আহ্বান জানান। সিডব্লিউসিএস-এর আয়োজনে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
বক্তাদের আরও সুপারিশের মধ্যে রয়েছেন—একজন নারী অভিবাসী শ্রমিকও যেন আর নির্যাতনের শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। অভিবাসী নারী শ্রমিকরা যারা নির্যাতনের শিকার ও নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরেছেন, তাদের সেখানে রেখে আসা অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নিতে হবে। দালালদের খপ্পর থেকে তাদের বের করে আনতে হবে। ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিদের অবগত থাকতে হবে, কারা বিদেশে যাচ্ছেন, কার মাধ্যমে যাচ্ছেন।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মহুয়া লেয়া ফলিয়া বলেন, ‘গণমাধ্যমে বেশিরভাগ খবর নেতিবাচক। ইতিবাচক খবর কম দেখতে পাই। অভিবাসী নারীদের প্রতি শব্দ চয়নে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে তারা অসম্মানবোধ ও আঘাতপ্রাপ্ত না হয়। একটি শব্দ ভাণ্ডার তৈরি করার প্রস্তাবনাও দেন তিনি।’
সিডবিউসিএস এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ইসরাত শামীম বলেন, ‘স্থানীয় সরকারকে অভিবাসনের সব তথ্য জানতে হবে। অভিবাসী নারীদের ডিজিটাল শিক্ষা বাড়াতে হবে। দেশের বাইরে যাওয়ার আগেই তারা মোবাইল ফোনে ছবি তুলে কীভাবে তাদের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস স্বজনদের কাছে পাঠাবেন, কীভাবে সংরক্ষণ করবেন, তা শেখাতে হবে।
নারী অভিবাসী শ্রমিকের অধিকার বিষয়ক তথ্যাদি উপস্থাপন করেন দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক রীতা ভৌমিক। তিনি বলেন, বিএমইটি স্ট্যাস্টিটিক ডাটা অনুযায়ী, ১৯৯১ সাল থেকে ২০২২ এর মে পর্যন্ত ১০ লাখ ৫০ হাজার ৮১৯ জন নারী অভিবাসন করেছেন। এই সংখ্যক নারীর সবাই নির্যাতনের শিকার হননি। এরমধ্যে কিছু সংখ্যক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
সভায় আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সিনিয়র কর্মীরা।









