পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত পানি ভবনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১৯টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। রাজধানীর গ্রিন রোডে পানি ভবন অবস্থিত। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদর দফতর এটি।
বুধবার (২০ জুলাই) পানি ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সালমা জাফরিনসহ বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ১৯ সিদ্ধান্ত
- সেন্ট্রাল এসির থার্মোস্ট্যাটযুক্ত অংশের তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করে থার্মোস্ট্যাট লক করা হয়েছে বিধায় তাপমাত্রা এর নিচে নামানো সম্ভব নয়। দুই ঘণ্টা অন্তর এক ঘণ্টা সেন্ট্রাল এসি চালু থাকবে।
- সেন্ট্রাল এসির নিয়ন্ত্রণযোগ্য অংশের তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামানো যাবে না।
- পানি ভবনের সবগুলো করিডোরের বাতি বন্ধ থাকবে।
- কক্ষের ডেস্কের ওপরে অবস্থিত লাইট ছাড়া অন্য সব বাতি বন্ধ থাকবে।
- কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি এবং এসি বন্ধ থাকবে।
- পানি ভবনের ভেতরের সব গ্লাসডোর বন্ধ থাকবে।
- আলো প্রবেশের সুবিধার্থে গ্লাস ডোরে লাগানো ফ্রোস্টেড পেপার খুলে স্বচ্ছ করতে হবে।
- পানি ভবন ক্যাম্পাসের গার্ডেন বাতি বন্ধ থাকবে।
- পানি ভবনে তিনটি লিফট চালু থাকবে। বাকি সব লিফট বন্ধ থাকবে।
- আলো প্রবেশের সুবিধার্থে কক্ষের জানালার পর্দা সরিয়ে রাখতে হবে।
- ইলেকট্রিক কেটলি, ওভেন ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।
- দিনের বেলায় সূর্যের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
- সকাল ৯টায় অফিসের কার্যক্রম শুরু করে বিকাল ৫টার মধ্যেই অফিস ত্যাগ করতে হবে।
- ব্যক্তিগত কাজে অফিসের গাড়ি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
- জ্বালানি সাশ্রয়ে একই গাড়িতে একাধিক কর্মকর্তাদের অফিসে যাতায়াত উৎসাহিত করা হয়েছে।
- সাইট পরিদর্শনে একাকী গাড়ি ব্যবহার কমাতে হবে।
- প্রশিক্ষণ কোর্স সংখ্যা কমাতে হবে।
- মিটিং যথাসম্ভব অনলাইনে করতে হবে।
- গ্রিন রোডের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব ভবনে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ অন্যান্য সংস্থার সব অফিসে শতকরা ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।









