সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি এলাকার সৌন্দর্য বিকৃত করার অভিযোগ আইন অনুসারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এক রিটের প্রেক্ষিতে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে মামলাটি চলমান থাকবে বলেও রায়ে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরেসেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।
ওই রায়ে কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেগুলো হলো ১৯৬৮ সালের পুরাকীর্তি আইন এবং সংবিধানের ২৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে রবীন্দ্র কাচারিবাড়ির সৌন্দর্য বিকৃত করার জন্য দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে কোনও ব্যক্তির সম্পত্তি অধিগ্রহণ করতে হলে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এর আগে ২০১৪ সালে রবীন্দ্র কাচারিবাড়ির প্রত্নতত্ত্বের পার্শ্ববর্তী এলাকায় পুরাকীর্তি সংরক্ষণ বিধি অমান্য করে ভবন নির্মাণ করার সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে ওই সংবাদ সংযুক্ত করে ২০১৪ সালে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাইকোর্টে রিট দায়ের করে।
ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট রুল জারি করে স্থিতাবস্থার আদেশ দেন হাইকোর্ট। এর দীর্ঘদিন পর ওই রুলের শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।









