ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের নতুন আইন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:৩৫আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:৩৫

‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট আইন, ২০২২’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গবেষণা জোরদার করতেই সরকার এই নতুন আইন করছে।

রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আইনে এখানে ১৫ সদস্যের একটি ইনস্টিটিউশন পরিচালনা পরিষদ থাকবে। আর শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকবেন সভাপতি। একজন মহাপরিচালক থাকবেন, বোর্ডের একজন চেয়ারম্যান থাকবেন। আর মহাপরিচালক সরকার কর্তৃক নিয়োজিত হবেন এবং একটা কাঠামো থাকবে। এখন যেটা আছে সেটা পরীক্ষা করে যদি এটাতে না হয়, তাহলে পরিবর্তন করা হবে এবং এটার বাজেট তারা সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন করে নেবে। বাজেটে তাদের আয়-ব্যয় দেখানো হবে। যদি সরকার থেকে মঞ্জুরির প্রয়োজন হয়, সেটা দেওয়া হবে।’

খসড়া আইন অনুযায়ী, ইনস্টিটিউট প্রতি বছর সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। এই ইনস্টিটিউটকে গবেষণার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সেজন্য আইনের মধ্যমে ইনস্টিটিউট হিসেবে আলাদা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে। যেন সরকারি বিধি-বিধানের মধ্যে না থেকে, তারা স্বায়ত্তশাসিত বডি হিসেবে আমাদের সুশাসনের ক্ষেত্রে একটা বড় রোল প্লে করতে পারে। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিশেষ করে সুশাসনের ক্ষেত্রে যে গবেষণার প্রয়োজন হয়, সেটা করবে। মূলত ইনস্টিটিউটের উদ্দেশ্য থাকে গবেষণা কাজটা খুব শক্তিশালী করা। এ কারণে আজকে আইনটা নিয়ে আসা হয়েছে।

সনদগুলো কি ইনস্টিটিউট থেকে দেওয়া হবে নাকি কোনও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইনস্টিটিউট থেকে দেবে। তারা তো শুধু ডিপ্লোমা সনদ দেবে। মাস্টার্স বা গ্র্যাজুয়েশন সার্টিফিকেট দেবে না।’

রিসার্চের খরচের বিষয়ে সচিব বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায়, টাকা এখন-ওখান থেকে আনে। তবে গবেষণার বিষয়টি ইনস্টিটিউটগুলোর কর্মপরিধির মধ্যেই থাকে। তারা যে বিভিন্ন কোর্স করায় এবং নিয়োগ করে, সেখান থেকে বড় অঙ্কের টাকা-পয়সা পায়। এখন তাকে সব টাকা ট্রেজারিতে জমা দিয়ে সেখান থেকে কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু যখন ইনস্টিটিউট হয়ে যাবে, তখন সে বাজেটে শো করবে এবং অর্থ বিভাগের নেতৃত্বে ত্রিপক্ষীয় সভা হয়। সেই মিটিংয়ের মধ্যে ওইগুলো অনুমোদন করে নিজেরা খরচ করবে, তবে এর একটা হিসাব অর্থ বিভাগকে দিতে হবে। যদি সটেজ হয় তা নিয়ে নেবে।’

সচিব বলেন, ‘শিল্প মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাবটি এনেছে। গভর্নমেন্ট এডুকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ এর অধীনে এটি আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত ছিল। তবে আগে ছিল সরকারি অফিস হিসেবে। এখন আইনটি করা হলো, আইনের মধ্যে এটাকে একটা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। খসড়া আইনে ২১টি ধারা রয়েছে।

/এসআই/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
জ্বালানি সাশ্রয়ে অফিস সময়ে পরিবর্তন, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় 
রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আইনে পরিণত হচ্ছে দুই অধ্যাদেশ
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম