মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতার সঙ্গে বাংলাদেশের মূলনীতির কোনও ভাবাদর্শ নেই। আমরা দৈনন্দিন জীবন নিয়ে অনেক চিন্তিত ও ব্যস্ত। এখনকার রাজনীতিবিদরা নিজে যা বলেন তা বিশ্বাস করেন না। তারা ভয়ে অসহিষ্ণুতার নীতি গ্রহণ করে। অনৈতিকতার বিরুদ্ধে কথা বলেন না।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন আয়োজিত এক আলোচনায় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে আজ মানুষ গায়েব হয়ে যাচ্ছে। মানুষের অধিকার হরণ করছে। কেউ কাউকে মারলেও পুলিশ ভুক্তভোগীকে সহায়তা করবে না। কারণ তারা ও অপরাধীদের মধ্যে সংযোগ আছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থেকেও তারা তাদের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক শক্তির অন্যতম দায়িত্ব রাষ্ট্রকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এজন্য সম্মিলিত শক্তির উদ্ভব ঘটাতে হবে।
সংগঠনের সভাপতি রামেন্দু মজুমদার বলেন, সামাজিক শিক্ষা দিতে না পারা পরিবারের একটি ব্যর্থতা। নতুন প্রজন্মের সাম্প্রদায়িক শক্তি বাড়ানোর জন্য পাঠ্যসূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার মান দিন দিন কমে যাচ্ছে। আমরা গত ৩ বছরে ধরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ পালন করলাম। কিন্তু কেউ কি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ গ্রহণ বা অনুসরণ করছি? আজ রাজনীতির সঙ্গে সংস্কৃতির কোনও সম্পর্ক নেই।
আলোচনায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, আলোচনা চক্রে আরও বক্তব্য রাখেন ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, খুশি কবীর, অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক রুবাইয়াত ফেরদৌস প্রমুখ।









