নীলফামারীর ডোমারে স্কুলছাত্র আরিফ হোসেন (১৪) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তারা জানায়, গত ১৯ আগস্ট বাবার অটোরিকশা নিয়ে বের হয় স্কুলছাত্র আরিফ। অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে আরিফকে খুন করে যাত্রীবেশে অটোরিকশায় ওঠা রুবেল ও আলম।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কহিনুর ইসলাম ওরফে রুবেল (৪০) ও মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (৪০)। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে ঢাকার আশুলিয়া থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর জানান, গত ১৯ আগস্ট বিকেলে নীলফামারীর ডোমারে বাবার অটোরিকশাসহ বের হয় অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আরিফ হোসেন (১৪)। এরপর থেকে নিখোঁজ আরিফের মরদেহ পাওয়া যায় গত ২৬ আগস্ট। ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ড তদন্তের ধারাবাহিকতায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি জানান, ১৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে যাত্রীবেশে আরিফের অটোরিকশায় ওঠে রুবেলসহ দুইজন। বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে নির্জন স্থানে যাওয়ার পর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে আরিফকে অটোরিকশা থামাতে বলে।
তখন অটোতে থাকা রুবেল ও তার সহযোগীরা আরিফকে অটো থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে অটো নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন আরিফ বাধা দিলে তাকে মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে আরিফকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে মরিচের শুকনা গাছ দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়ে যায়।
সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, পরে চুরি করা অটো রিকশাটি রুবেল তার এক আত্মীয়ের কাছে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়।









