সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহতি উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে আধুনিকায়ন হচ্ছে। মহতী এসব উদ্যোগের জন্য তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে বরিশালে শেখ হাসিনা সেনানিবাস ৩৫ বীর (সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন), ৫২ স্বতন্ত্র এমএলআরএস ব্যাটারি আর্টিলারি, ৮৫ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এবং ১৬৩ ফিল্ড ওয়ার্কশপ কোম্পানি ইএমই’র পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর আইএসপিআর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সেনাপ্রধান এ সময় গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এবং শ্রদ্ধা জানান, অগণিত বীর শহীদ ও সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের— যাদের আত্মত্যাগে অর্জিত হয়েছে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। তিনি জানান, ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বপ্রথম বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সেই উন্নয়নের পথ ধরে আজকের এই পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠিত হলো। একই সঙ্গে বাস্তবায়িত হলো সামরিক বাহিনীর উন্নয়নের রূপকল্প ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ এর আরেকটি ধাপ।
জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার বরিশাল এরিয়া মেজর জেনারেল আবদুল কাইয়ুম মোল্লা, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. মোশফেকুর রহমান এবং জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার ঘাটাইল এরিয়া মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী, নবগঠিত ইউনিটগুলোর পতাকা উত্তোলন করেন।
এরপর সেনাবাহিনী প্রধান ৭ পদাতিক ডিভিশনের একটি প্রশিক্ষণ মাঠে উপস্থিত সব পদবীর সেনা কর্মকর্তা, জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দরবার নেন এবং মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা, অসামরিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্য উপস্থিত ছিলেন।









