‘রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে কোনও বাধা নেই’, জানিয়ে নবনিযুক্ত ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘রাজনীতির নামে কেউ ফৌজদারি অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।’
সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’ এ এসব কথা বলে ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘মিট দ্যা প্রেস’ আয়োজন করা হয়।
মিছিল-মিটিং প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিবন্ধিত দলের এধরনের কর্মসূচি পালনে বাধা নেই। তবে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে জ্বালাও-পোড়াও বা বিশৃঙ্খলতা মেনে নেওয়া হবে না। এগুলো ফৌজদারি অপরাধ। ধারা অনুযায়ী এধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নেওয়া হবে।’
থানাকে আমরা গণমুখী, সেবামুখী করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এগুলো ঠিকভাবে চলছে কিনা বা জনমানুষ সঠিকভাবে সেবা পাচ্ছে কিনা সে বিষয়টি আমরা মনিটরিং করছি।’
এছাড়াও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যাতে প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার ভিন্ন ভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের আগে তিনি একটি বক্তব্য দেন। যাতে মানুষজন অপরাধ করা থেকে বিরত থাকে।
তিনি বলেন, চাকরি জীবনের ৩২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ডিএমপির নগরবাসীদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সচেষ্ট থাকবো।
এসময় জঙ্গি দমনের বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশে জঙ্গিদের তৎপরতা কমছে না। পুলিশ ও জনগণের অ্যাকশনের ফলে তারা পুরোপুরি শান্ত হয়ে যায়। কয়েক বছর পরও তারা আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাদের এই তৎপরতাকে বন্ধে পুলিশের সাইবার বিভাগের নজরদারি বাড়ানো, ফেসবুক ইউটিউব মনিটর করা। এজন্য আমাদের সাইবার টিম ২৪ ঘণ্টা বিষয়টি মনিটরিং করে।’ জঙ্গি তৎপরতারোধে নগরবাসীর কাছ থেকে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংরক্ষণ কাজটি অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার মনে করেন, জঙ্গিরা নিজের বাসায় থাকে না, তারা ভাড়া বাসায় থাকে। এজন্য সারাদেশ বাড়িগুলো থেকে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। ঢাকা শহরে আবারও এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে যাতে কোনোভাবেই জঙ্গিরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।’









