র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেছেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের যখনই মামলার তারিখ নির্ধারণ থাকে তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে আদালতে আমাদের কিছু প্রতিবেদন দিতে হয়। তদন্তের যে অগ্রগতি সেই অগ্রগতির প্রতিবেদন আমরা আদালতে জমা দেই। এ হত্যাকাণ্ডের বেশকিছু তথ্য উপাত্ত আদালতে সাবমিট করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে আদালত মূলত আমাদের বলেছে আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের অবকাশ রয়েছে। যার প্রেক্ষিতে আদালত থেকেই আমাদের সময় দেওয়া হচ্ছে। শনিবার (৫ নভেম্বর) এসব তথ্য জানান তিনি।
খন্দকার আল মঈন বলেন, আগেও যে বিষয়টি বলেছি এখনও সেটাই বলছি, আমাদের তদন্তের যে প্রেক্ষাপট সেটি হচ্ছে আমরা চাই একজন নিরপরাধ ব্যক্তিও যেন ভিক্টিমাইজ না হয়। সঠিক তদন্তের জন্যই মূলত বিভিন্ন সময় আদালত থেকে যে সময় দেওয়া হচ্ছে সেই সময়ের প্রেক্ষিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আরও কত সময় লাগতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা যখন আদালতে প্রতিবেদন দিচ্ছি তখন কিন্তু বিজ্ঞ আদালত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এই তথ্য উপাত্ত স্বয়ংসম্পূর্ণ কিনা। মামলার রায় ঘোষণা করার জন্য বা অন্যান্য বিষয়গুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ কিনা বা এখানে আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে কিনা। তার প্রেক্ষিতেই আদালত আমাদের সময় দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আদালত আমাদের সময় দিচ্ছে কিছু প্রেক্ষাপট বলে আবার কিছু বিষয় বলে। আমরা কিন্তু সে বিষয়গুলোই তদন্ত করে আমরা আদালতে সাবমিট করছি। আদালত মনে করেছে মনে করছে এখানে আরও তথ্য উপাত্তের অবকাশ রয়েছে। আরও তদন্তের অবকাশ রয়েছে।









