সরকারি অফিস থেকে ‘তথ্য চুরি’র অভিযোগে প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় করা মামলা থেকে তার অব্যাহতির শুনানি পেছালো। পরবর্তী শুনানির জন্য ১৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মোর্শেদ আলম খান সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন বিচারক চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিষয়ে শুনানি গ্রহণ না করে আগামী ১৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।
এদিন সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম আদালতে হাজির ছিলেন।
এর আগে, গত ১১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মোর্শেদ আলম খান রোজিনা ইসলামকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। এ বিষয়ে আজ ১৫ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ মে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় আটকে রেখে রাতে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনে ওই দিন বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। পরে জানা যায়, তাকে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা একটি কক্ষে আটকে রাখেন।
রোজিনা ইসলামকে আটকে রাখার খবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওই ভবনে যান। দীর্ঘ সময় ধরে তাকে আটকে রাখার কারণ সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা কিছুই জানাননি।
একপর্যায়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু নথি সরানোর অভিযোগ এনে পুলিশ ডাকা হয়েছে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং রাতেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।









